ইমরুলের অস্বস্তি ব্যাটিং পজিশন নিয়ে

0
401

স্পোর্টস ডেস্ক: ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে বেশ আগেই। কিন্তু রেশটা এখনো কাটেনি। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এখনো শান্ত-নীরব। এই নীরবতার মধ্যেও দু-একজন খেলোয়াড়কে অবশ্য দেখা যাচ্ছে, তাঁদের সময় কাটছে জিমে। আজ জিমে অনেকটা সময় কাটালেন ইমরুল কায়েস।
কী নিয়ে কাজ করছেন বাঁহাতি ওপেনার? ‘ব্যাটিং নিয়ে অনেক কাজ করেছি। এখন কাজ করব ফিটনেস নিয়ে’Ñআগস্টে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে বলছিলেন ইমরুল। তবে সিরিজটা নিয়ে বলতে গেলে অবধারিতভাবে তাঁকে ‘যদি সুযোগ পাই…’ কথাগুলো যোগ করে নিতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নয় বছর কাটিয়ে দিলেও বাংলাদেশ দলে নিজের জায়গাটা নিয়ে এখনো চিন্তায় থাকতে হয় ইমরুলকে। মূলত ওপেনার হলেও সব সময়ই ওপেনিংয়ে খেলার নিশ্চয়তা নেই তাঁর। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে সুযোগ না পেলেও চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ছিলেন একাদশে। কিন্তু ওপেনার হিসেবে নয়, খেলতে হয়েছে তিনে। দুই ম্যাচে তাঁর রান ২৫।
কখনো ওপেনিং, কখনো তিনেÑবারবার নিজের ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তনে ইমরুলের ভেতর কাজ করছে একধরনের অস্বস্তি, ‘এটা শুধু আমার নয়, সবার জন্য সমস্যা। একটা উদাহরণ দিই, আপনি অফিসে গিয়ে যদি দেখেন আপনার ডেস্ক পরিবর্তন হয়ে অন্য জায়গায় গেছে, তখন কাজ করতে অস্বস্তি লাগবে। বিষয়টা শুধু ক্রিকেটে নয়, জীবনের সব জায়গায় প্রভাব পড়ে (জায়গা বদলে)।’
বোর্ডের সঙ্গে খেলোয়াড়দের টানাপোড়েনে অনিশ্চয়তার চাদরে ঢাকা পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর। যেহেতু এটা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাপার, বাংলাদেশ শুধু নিজেদের প্রস্তুতি নিয়েই ভাবছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ জুলাই শুরু হবে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ট্রেনিং। কন্ডিশনিং ক্যাম্পটা যে ভীষণ কাজে দেবে, সেটিই বলছিলেন ইমরুল, ‘অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে কন্ডিশনিং ক্যাম্পে প্রায় তিন সপ্তাহের মতো ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারব। ফিটনেসের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ফিটনেস ঠিক রাখা আমাদের প্রথম লক্ষ্য। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অবশ্যই ভালো করতে চাই। যদি সুযোগ পাই ভালো কিছুর চেষ্টা করব।’
অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান পেসার মিচেল স্টার্ক নেই বাংলাদেশ সফরে। তবুও জশ হ্যাজলউড-জেমস প্যাটিনসন-প্যাট কামিন্সদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার পেস বোলিং আক্রমণটা যথেষ্ট পরীক্ষা নেবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। পেস আক্রমণ যেমনই হোক, সেটি নিয়ে ভাবছেন না ইমরুল, ‘আন্তর্জাতিক প্রত্যেকটি দলে ভালো পেস আক্রমণ থাকে। অস্ট্রেলিয়ারও আছে। এটা নিয়ে এখন কেউ চিন্তা করে না। বাংলাদেশ দল পেস খেলতে পারে না বা গতিময় বোলিংয়ের সামনে দুর্বল, এমনটা এখন নেই। এখন সবাই পেস বল ভালো খেলে, ভালো সামলাতে পারে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here