উদ্বোধনের ১ বছর না যেতেই সরিয়ে নেয়া হলো পল্টুনটি; প্রশ্ন বাড়ছে চিলমারী নদী বন্দরকে ঘিরে

0
1883

চিলমারী প্রতিনিধি: দিন যাচ্ছে আর প্রশ্ন বাড়ছে চিলমারী নদী বন্দর এর কার্যক্রম নিয়ে। প্রশ্ন কোন উত্তর মিলতে না মিলতেই উদ্বোধনের ১ বছর যেতে না যেতেই নদী বন্দর এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হলো চিলমারী লঞ্চ ঘাট এর পল্টুনটি। পল্টুনটি সরিয়ে নেয়ায় প্রধান মন্ত্রীর ঘোষিত চিলমারী নদী বন্দর কার্যক্রম নিয়ে জনগন হতাশ। নির্ধারিত স্থান নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ সাথে জেলা পরিষদের বাড়ছে অন্তদ্বদ্ধ। জনগনের মাঝে বাড়ছে হতাশ বাড়ছে ক্ষোভ।
জানা গেছে, গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা চিলমারী সফর কালে ঘোশনা পেক্ষিতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি ২৩ সেপ্টেম্বর/১৬ চিলমারীর রমনা ঘাটে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে চিলমারী নদী বন্দরের শুভ উদ্বোধন করেন। এবং এর পর পরই শুরু হয় জরিপ, খননসহ বিভিন্ন কার্যক্রম। শুধু তাই নয় বিআইডব্লিউটিএ এর পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইজারাও দেয়া হয়। এবং নদী বন্দর এর সীমানায় রমনা শ্যালোঘাট/লঞ্চঘাট, জোড়গাছ ঘাটে যাত্রী ও মালামাল উঠানামার শুল্ক আদায় ও লেবার হ্যান্ডলিং এবং রমনা/শ্যালোঘাট হতে রাজিবপুর এবং রমনা/শ্যালোঘাট হতে রৌমারী ফেরী/ খেয়াঘাটসহ শুল্ক আদায় কেন্দ্র নামক ঘাট/পয়েন্ট সীমানা ভুক্ত করে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ইজারা প্রদান করা হয়। এদিকে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ইজারা দেয়া হয়। শুরু হয় উক্ত এলাকা নিয়ে টানাটানি। এরই পেক্ষিতে বিআইডব্লিউটিএ’র নিযুক্ত ইজারাদার শেখ সরদার আসাদুজ্জামান কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের উক্ত ইজারা কার্যক্রম এর বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন নং-৮৫৮৩/২০১৭ দায়ের করেন। তৎপ্রেক্ষিতে মহামান্য আদালত ৮জুন/২০১৭ তারিখ রুল প্রদানসহ জেলা পরিষদের পক্ষ হতে ইজারা প্রদত্ত রমনা শ্যালোঘাট ও জোড়গাজ ঘাটের ইজারা কার্যক্রমের উপর স্টে আদেশ প্রদান করেন বলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ এর (নথি নং-১৮.০২.২৬০০.০৬৩.০৪.০০০.২০১৪(চিলমারী নদী- বন্দর)/১০৯৯) তারখি ২১জুন/১৭ এর একটি চিঠির পেক্ষিতে জানা যায়। কিন্তু তা অম্যান্য করে অজ্ঞাত কারনে চিলমারী নদী বন্দর এর উদ্বোধন এলাকায় অবস্থিতি বাংরাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ চিলমারী লঞ্চ ঘাট এর পল্টুনটি উক্ত এলাকা থেকে এক নির্দেশে পেক্ষিতে আদালতের নির্দেশ না মেনেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রকৌশলী মামুন অর রশিদ এর উপস্থিতিতে ৫জুলাই বুধবার সরিয়ে নেয়া হয়। তা সরিয়ে নেয়ার পর থেকে প্রধান মন্ত্রী দেয়া ঘোশনা ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী’র দেয়া কথা (আগামী ১ বৎসরের মধ্যে চিলমারী নদী বন্দরকে একটি পুর্ণাঙ্গ নদী বন্দরে রূপ দেয়া হবে) তা যেন এখন আবারো স্বপ্ন মনে হচ্ছে এলাকাবাসীর। এলাকাবাসী জানান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যা বলেন তা করেন তিনি বলেছিলেন চিলমারী নদী বন্দর করা হবে এরই পেক্ষিতে কার্যক্রমও শুরু হয়েছিল আমারাও আশার আলো দেখতে শুরু করেছিলাম কিন্তু হঠাতেই পল্টুন সরিয়ে নেয়া ও জেলা পরিষদ আর বিআইডব্লিউটিএ’র টানাটানির ফলে আমরা এখন হতাশ কি হবে এখন। এব্যাপারে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা মুরাদ হাসান বেগ বলেন একটি আদেশ ও উপরের নির্দেশে চিলমারী রমনা ঘাট এলাকা থেকে বিআইডব্লিউটিএ’র লঞ্চ ঘাটের পল্টুনটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে আর আমি আদালতের কোন স্টে আদেশ পাইনি। পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here