নাইকো দুর্নীতি মামলায় কানাডা ও এফবিআইয়ের তদন্তে দোষী প্রমাণিত বেগম জিয়া গং, শাস্তি হতে পারে তারেকের

0
275

নিউজ ডেস্ক: কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো’কে ছাতক, কামতা ও ফেনীর গ্যাসক্ষেত্রগুলোর কাজ পাইয়ে দিতে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সীমাহীন দুর্নীতি করেছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা ও উপঢৌকনের বিনিময়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ, সাবেক জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, একাধিক সাবেক সচিব ও তারেক রহমানের কয়েকজন ব্যবসায়ীক পার্টনাররা যৌথভাবে অবৈধভাবে নাইকো’কে কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।

এদিকে, নাইকো দুর্নীতি মামলায় রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ ও এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাক্ষ্যগ্রহণের বিষয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। ২২ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মাহমুদুল কবীর আগামী ৯ ডিসেম্বর শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার অনুমতি দিলে নাইকো দুর্নীতি মামলার আসল ঘটনাগুলো জনসম্মুখে আসবে। বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের দুর্নীতির ঘটনাগুলো প্রমাণিত হবে।

পূর্ব ছাতক গ্যাস ফিল্ড নেওয়ার ব্যাপারে নাইকো কোম্পানি যে ঘুষ প্রদান করে, সে ব্যাপারে কানাডার রয়্যাল মাউন্টেড পুলিশ ২০০৫ সালে তদন্ত শুরু করে।

সেই তদন্তের রিপোর্ট ও সাক্ষ্য দিয়ে নাইকো দুর্নীতি মামলায় নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে চায় কানাডা। ধারণা করা হচ্ছে বিদেশি সংস্থার সাক্ষ্য দেওয়ায় মামলার মূল আসামি বেগম খালেদা জিয়া, মওদুদ আহমেদ, এ কে এম মোশাররফ হোসেন, তারেক রহমানসহ তার ব্যবসায়ীক পার্টনাররা ফেঁসে যেতে পারেন। কারণ চলতি মাসেই রায় হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত নাইকো দুর্নীতি মামলার ।

বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশেষ অনুরোধে নাইকো দুর্নীতি মামলার তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এফবিআই এজেন্ট ডেবরা লাপ্রিভোত কর্তৃক ২০০৮-২০১১ সালের মধ্যে তৈরিকৃত একটি রিপোর্টে জানা যায়, স্ট্রাটাম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির মালিক ও তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকারের কাছের মানুষখ্যাত কাশেম শরীফ নামের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক সবকিছু ম্যানেজ করে নাইকো’কে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে নামমাত্র টেন্ডারের বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দিতে সাহায্য করেন। কাশেম তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তি তারেক রহমান, তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ, জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনসহ একাধিক আমলাকে ম্যানেজ করে নাইকো’কে কাজ পাইয়ে দেন।

এর আগে, ১৯৯৭ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার নাইকোর অক্ষমতা, অবৈধভাবে কাজ নেওয়ার প্রবণতা বিবেচনা করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখিয়ে নাইকোর টেন্ডার বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে নাইকো জানতে পারে কাশেম বিএনপি-জামায়াত সরকারের খুব কাছের মানুষ। ক্ষমতাসীনদের অনেকের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে। নাইকো পরবর্তীতে নাইকো বাংলাদেশ রিসোর্সেস লি: নামের কোম্পানি গঠন করে সেটির পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে দেয় কাশেমকে। পাশাপাশি কাশেমকে কোম্পানিটির কনসালটেন্ট নিয়োগ করে নাইকো কানাডা। ঘুষ ও উপঢৌকন দিয়ে গ্যাসক্ষেত্রগুলোর কাজ যেকোন মূল্যে পাওয়ার জন্য বার্বাডোজ ও সুইজারল্যান্ডের বেনকাইর প্রিভিতে কাশেমের অফসোর ব্যবসার অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ কানাডিয়ান ডলার ট্রান্সফার করে নাইকো। কারণ কানাডা থেকে সরাসরি বাংলাদেশে অন্য কোন চ্যানেলের মাধ্যমে এতগুলো টাকা পাঠানোর কোন মাধ্যম ছিল না। বার্বাডোজ ও সুইজারল্যান্ডের একাউন্টের কোটি কোটি টাকা তৎকালীন সরকার ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে ট্রান্সফার করেন কাশেম।

তদন্তে পরিষ্কার হয়েছে যে, নাইকো রিসোর্সেস লি: ২০০২ সালের ১৫ জানুয়ারি বার্বাডোজের একটি ব্যাংক থেকে তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদের একাউন্টে ৮ হাজার ৩১৫ মার্কিন ডলার ট্রান্সফার করা হয়। পরবর্তীতে এফবিআই অধিকতর তদন্তে জানতে পারে, মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে সারা বছর বেতন ও অন্যান্য সুবিধা হিসেবে মওদুদ আহমেদ ৯ হাজার ৫শ ডলার পেতেন। অথচ মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ যুক্তরাষ্ট্রে ৪ লাখ ডলার মূল্যের বাড়ি ক্রয় করেন। তদন্তে দেখা যায়, মওদুদ আহমেদ নাইকোর কাছ থেকে সরাসরি ঘুষ গ্রহণ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেন। দু:খের বিষয় হলো নাইকোর অদক্ষতা ও উপযুক্ত ব্যবস্থাপনার অভাবে ২০০৫ সালে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিপূরণ বাংলাদেশ সরকারকে না দিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে দিতে ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানসহ একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে ঘুষ দেয় নাইকো।

অথচ ২০০৩ সালে পেট্টোবাংলা নাইকোর অদক্ষতা ও অযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ সরকারকে মিথ্যাচার ও ভুল তথ্যে ভরা চিঠি দিয়ে নাইকো’কে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা-তদবির চালান। পাশাপাশি সরকারকে পূর্ব ছাতক গ্যাসক্ষেত্রকে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রের আওতায় আনারও পরামর্শ দেন মওদুদ। তৎকালীন সরকার বিষয়টি নিয়ে একটু আপত্তি তুললে মওদুদ আহমেদ নাইকোর প্রতিনিধি সেজে প্রধানমন্ত্রী ও তার পুত্র তারেক রহমানকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেন। কারণ ক্ষমতায় আসার আগে মওদুদ নাইকোর লিগ্যাল এ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেন। ২০০৭ সালে দেশটির তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাইকো দুর্নীতি মামলার ব্যাপারে সাহায্য কামনা করলে এফবিআই সার্বিক সহায়তা দেওয়া শুরু করে। কাশেম শরীফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে নিজেকে ব্যবসায়ী দাবি করে নাইকো দুর্নীতি মামলায় জড়িত থাকার বিষয়ে অস্বীকার করে। পরবর্তীতে ২০১১ সালের এফবিআইয়ের তদন্ত রিপোর্ট বিবেচনা করে ২০১৮ সালের ১৭ মে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেয় যে, নাইকো দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার পুত্র তারেক রহমান, আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ, জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, সাবেক জ্বালানী সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহিদুল ইসলাম, কাশেম শরীফ, বাপেক্সের সাবেক জি এম মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. সাফিউর রহমান ছাতক ও ফেনীর গ্যাসক্ষেত্রগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে নাইকো রিসোর্সেসকে ছাতক, কামতা ও ফেনীর গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উন্নয়ন ও উৎপাদনের কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে রাষ্ট্রের ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন। সেই হিসেবে এরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কাছে অপরাধী।

এদিকে ২০১১ সালের জুন মাসে কানাডার আদালতে দুর্নীতি মামলায় নাইকো দোষী প্রমাণিত হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার প্রধান, একাধিক মন্ত্রী, সচিব ও ব্যবসায়ীদের ঘুষ প্রদান করে অবৈধ উপায়ে গ্যাসক্ষেত্রের কাজ বাগিয়ে নেয় নাইকো। এমনকি নাইকোর কর্তৃপক্ষ আদালতে স্বীকার করে যে, বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর কাজ পাওয়ার জন্য তৎকালীন জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনকে ১ লাখ ৯০ হাজার কানাডিয়ান ডলার, একটি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি ও কানাডার ক্যালগেরিতে ভ্রমণের জন্য নগদ ৫ হাজার কানাডিয়ান ডলার ঘুষ প্রদান করে। যার প্রেক্ষিতে নাইকো’কে দুর্নীতি ও ঘুষ প্রদানের অভিযোগে দেশটির আদালত ৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করে।

চলুন জেনে নিই নাইকো দুর্নীতি মামলার ধারাবাহিক ঘটনাগুলো..

১৯৯৭ সাল: নাইকোর বাংলাদেশে আগমন ঘটে। গ্যাসক্ষেত্রের কাজ পাওয়ার টেন্ডারে অদক্ষতার ভিত্তিতে প্রত্যাখ্যাত হয়।
১৯৯৮ সাল: ফেনী ও ছাতক গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নে কাজ করার জন্য তৎকালীন সরকারকে প্রস্তাব দেয়।
২৭ জুলাই, ১৯৯৯: স্ট্রাটাম ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড এর সাথে ৪ মিলিয়ন ডলারের কনসালটেন্সির চুক্তি করে নাইকো।
আগস্ট, ১৯৯৯: পরিত্যক্ত গ্যাসক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার জন্য বাপেক্স ও নাইকোর মাঝে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১লা অক্টোবর, ১৯৯৯: স্ট্রাটাম ও নাইকো ব্যবস্থাপনা বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
১০ অক্টোবর, ২০০১: বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার নির্বাচনে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে।
২৭ ফেব্রুয়ারি ও ১০ আগস্ট, ২০০৩: তৎকালীন আইনমন্ত্রীর আইনি প্রতিষ্ঠান মওদুদ আহমেদ এন্ড অ্যাসেসিয়েটস বিভিন্ন যুক্তি প্রদর্শন করে নাইকো’কে কাজ পাইয়ে দেওয়ার পক্ষে সরকারকে সুপারিশ করে।

২৫ আগস্ট, ২০০৩: তৎকালীন আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ একই বক্তব্য প্রদান করে নাইকোর পক্ষে মত দেন।
১৬ অক্টোবর, ২০০৩: দুটি গ্যাসক্ষেত্রের কাজের জন্য নাইকো ও বাপেক্স যৌথ উদ্যোগ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
৮ জানুয়ারি, ২০০৫: নাইকোর আওতাধীন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
২৩ মে, ২০০৫: তৎকালীন জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফকে বিলাসবহুল লেক্সাস ব্র্যান্ডের এসইউভি মডেলের গাড়ি উপহার দেয় নাইকো ।

জুন, ২০০৫: সম্পূর্ণ নাইকোর খরচে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন।
১৮ জুন, ২০০৫: চরম বিতর্কের মুখে পড়ে জ্বালানী প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন এ কে এম মোশাররফ হোসেন।
২৩ জুন, ২০০৫: টেংরাটিলার ভিন্ন একটি ব্লকে বিস্ফোরণ ঘটে।
২৭ ডিসেম্বর, ২০০৬: ফেনীর গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত গ্যাস বিক্রির লক্ষ্যে নাইকো ও পেট্টোবাংলার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
ডিসেম্বর, ২০০৭: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার নামে নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে।

৬ মে, ২০০৮: খালেদা জিয়া, মওদুদ আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, মামুনের নামে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।
১৭ নভেম্বর, ২০০৯: টেংরাটিলার বিস্ফোরিত গ্যাসের ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত নাইকো’কে পাওনা অর্থ পরিশোধ করতে তৎকালীন সরকারকে আদেশ দেন হাইকোর্ট।
মার্চ, ২০১০: নাইকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বেকসুর খালাস দেন উচ্চ আদালত।

১ লা এপ্রিল ও ১৬ জুন, ২০১০: আইসিএসআইডিতে নাইকো বাংলাদেশ রিসোর্সেস দুটি মামলা দায়ের করে।
জুন, ২০১১: নাইকো কানাডা দেশটির আদালতে দোষী প্রমাণিত হয়। বিগত সরকারের জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেনকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে নাইকো। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নাইকো’কে ৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেন কানাডার আদালত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here