চিলমারীতে জোড়পূর্বক জমি লিখে নেয়ায় বাবার মৃত্যুর অভিযোগ

0
173

চিলমারী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জোড়পূর্বক জমি লিখে নেয়ায় বাবার মৃত্যু অভিযোগ অন্য সন্তানদের। জমি লিখে দেয়ার পর ঘটনার দিনেই এক পিতার মৃত্যু ঘটায় এই অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তোলপাড় রয়েছে সংঘর্ষের আসংখ্যা।
জানা গেছে, উপজেলার পাত্রখাতা ফকির পাড়া এলাকার রবিউল ইসলাম ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার তার পিতা আবুল হোসেনকে ডাক্তার দেখার কথা বলে উপজেলা সদরে নিয়ে আসে পরে কৌশলে জমি রেজিঃ অফিসে নিয়ে যায় এবং কৌশল অবলম্বন করে পিতা আবুল হোসেনের কাছে দুই দাগের ৩১ শতাংশ জমি দলিল করে নেন।
ঘটনা বুঝতে পেরে তার পিতা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরে তাকে ডাঃ মোস্তারী বেগমের কাছে নিলে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত উন্নয়ন চিকিৎসা নেয়ার জন্য কুড়িগ্রাম বা রংপুরে নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তা না করে বড় ছেলে রবিউল ইসলাম নিজ বাড়িতে নিলে তার পিতা আবুল হোসেনের মৃত্যু হয়।
পরে বিষয়টি প্রকাশ হলে পিতার মৃত্যুর জন্য বড় ছেলে রবিউল ইসলামকে দায়ী করেন মৃত্যের অন্যান্য ছেলে মেয়েরা। মৃত আবুল হোসেন ছেলে রাহেকুল, মেয়ে আছিয়া, মজিদা, আখলিমা অভিযোগ করে বলেন তাদের বড় ভাই দীর্ঘদিন থেকেই জমি দখলের পায়তারা করে আসছিল এবং সুযোগ খুঁজছিল।
এরই পেক্ষিতে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ২ মে/১৯ তারিখে ডাক্তার দেখার কথা বলে আমাদের বাবাকে উপজেলা সদরে নিয়ে যায় এবং কৌশলে তাকে জমি রেজিঃ অফিসে নিয়ে গিয়ে বাধ্য করে পাত্রখাতা মৌজার খতিয়ান নং আএস ২০৫, দাগ নং আর এস ২৯৭২ থেকে ২১ শতাংশ ও ৩০৫৪ দাগের ১০ শতাংশ জমি লিখে নেন। জোড়পূর্বক জমি লিখে নেয়ায় এসময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরে তাকে লোক দেখানো ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার মৃত্যু হয়। তারা অরো বলেন, তাদের পিতার মৃত্যুও জন্য দায়ী তার বড় ভাই আমরা উক্ত দলিল বাতিলসহ এর বিচার চাই। অভিযুক্ত রবিউল বলেন, আমার বাবা আমাকে ইচ্ছাকৃত ভাবেই জমি লিখে দিয়েছেন।
এব্যাপারে ডাক্তার মোস্তারী বেগমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, রোগীকে যখন নিয়ে এসেছিল তিনি বেশ অসুস্থ ছিলেন তাই আমি উন্নত চিকিৎসা নেয়ার জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম।
পরে বিষয়টি নিয়ে সাব-রেজিষ্ট্রার মোঃ আরিফুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, জমি দাতাকে ইজিবাইকে করে অফিসে নিয়ে আসা হয়েছিল তিনি ইশারায় বলেছিলেন তখন বাকি স্বাক্ষিদের উপস্থিতে জমি দলিল করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here