চিলমারীতে সঞ্চয়ের টাকা ফেরত না পেয়ে হতাশায় সুবিধাভুগিরা

0
57

চিলমারী প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ৩ হাজার ২২৩ জন ভিজিডি কার্ডধারীদের সঞ্চয়ের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা। ৬মাস কেটে গেলেও টাকা না পেয়ে হতাশায় সুবিধাভুগিরা। কর্তৃপক্ষ নিজেদের বাঁচাতে চালিয়ে যাচ্ছেন চেষ্টা।
জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় অগ্রযাত্রা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি এনজিও’র বাস্তবায়নে ১লা জানুয়ারী ২০১৭ইং চিলমারী উপজেলায় দুই বছর মেয়াদী ভিজিডি প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। ৬টি ইউনিয়নের ৩২২৩ জন হতদরিদ্র নারীকে জনপ্রতি ৩০ কেজি চাউল প্রদানের বিপরীতে পাস বইয়ের মাধ্যমে মাসিক ২’শ টাকা সঞ্চয় জমা নেয়া হয়। এবং নিয়ম অনুযায়ী যৌথ স্বাক্ষর অগ্রণী ব্যাংক চিলমারী শাখার (১০০১১৬৫০) নম্বর হিসাবে জমাদানের কথা থাকলেও সামান্য কিছু টাকা জমা করলেও বাকি টাকা জমা না দিয়েই তা দীর্ঘদিন থেকে আত্মসাতের চেষ্টা অব্যাহত রাখছেন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে ৬মাস কেটে গেলেও সঞ্চয়ের টাকা হাতে না পেয়ে দিনের পর দিন হতাশায় ভুগছে সুবিধাভুগিরা ঘুরছেন দারে দারে। সরেজমিনে একাধিক সুবিধাভুগির সাথে কথা হলে তারা জানান, নিয়ম অনুযায়ী তারা প্রতি মাসে টাকা জমা দিয়েছেন, আশা ছিল ২ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফাসহ মোটা অংকের কিছু টাকা হাতে পাবেন কিন্তু তা তাদের ভাগ্যে জোটেনি। তবে জুটেছে হয়রানী। বজড়াতবকপুর এলাকার ভুক্তভোগী রোকেয়া বেগম কার্ড নং-১৪২, রবিজান বেওয়া, কাঁচকোল এলাকার আরফিনাসহ অনেকে জানান, তাদের জমাকৃত বইও দেয়া হয়নি টাকাও ফেরৎ দেয়নি কর্তৃপক্ষ। তারা আরো জানান, আমারা নিয়ম অনুযায়ী টাকা দিয়ে এসেছি তবে জমা বইয়ে কতটাকা তোলা হয়েছে তাও বুঝতে পারছিনা জমা বই আমাদের কাছে না থাকায়।
ইউপি চেয়ারম্যানরা বলেন, ভিজিডি সুবিধাভুগিদের কাছ থেকে কর্তৃপক্ষ লক্ষ লক্ষ টাকা উত্তোলন করলেও মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৬মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কেন তাদের পাওনা টাকা ফেরত দেয়া হচ্ছে না বিষয়টি আমরা কাছে পরিস্কার নয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সখিনা খাতুন বলেন নিয়ম অনুযায়ী যে সংস্থার সাথে আমাদের চুক্তি হয়েছিল তারা টাকা উত্তোলন করলেও অজ্ঞাত কারনে টাকা জমা না দিয়েই তা আত্মসাত করায় তা জানতে পেরে বিষয়টি উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
এব্যাপারে ভিজিডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহার সাথে কথা হলে তিনি জানান, দায়িত্বরত সংস্থার সাথে জরিতরা উত্তোলনকৃত টাকা জমা না দিয়েই আত্মসাত করেছে তাই বিষয়টি নিয়ে মামলা করার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এব্যাপারে উক্ত সংস্থার নির্বাহী পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here