চিলমারী কৃষি অফিস দুর্নীতির অখড়া

0
500

চিলমারী প্রতিনিধি:
সব অনিয়মকে হার মানিয়ে অনিয়মের রাজত্বে যেন পরিনত হয়েছে চিলমারী কৃষি অফিস। কৃষি অফিসার খালেদুর রহমানের একক রাজত্ব আর দুর্নীতির অভিযোগ যেন চারদিকে। মাঠ দিবসের বরাদ্দ, কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণে কৃষি ফেস্টুন তৈরি, সার, বীজ, কীটনাশক বিতরনে ব্যাপক অনিয়ম, ধান ক্রয় কৃষক তালিকায় অনিয়মসহ বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজত্ব কায়েমের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় কৃষি অফিসে মোঃ খালেদুর রহমান ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে যোগদান করেন। যোগদানের কিছুদিন পর সু-কৌশলে শুরু করেই একক রাজত্ব ও ব্যাপক অনিয়ম। চাষীদের প্রশিক্ষণে অর্থ, দল গঠনে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাৎ, সার বীজ বিতরনে ব্যাপক অনিয়মের আশ্রয়নেয়া সহ মাঠ দিবসের নামে হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ এছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের নামে অর্থ আত্মসাৎসহ দুর্নীতির রাজ্যে পরিণত করেন উপজেলা কৃষি অফিস। শুধু তাই নয় তার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে অফিসে কেউ কথা বললেই নেমে আসে অজানা ভয়। অফিস সূত্রে জানা গেছে ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতে ১৪টি ছাড়াও অন্য প্রকল্পে বেশ কয়েকটি মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিটি মাঠ দিবসের খরচ বাবদ বরাদ্দ মোটা অংকের টাকা থাকলেও দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি অফিসার (বিএস) দের প্রদান করা হতো অনেক কম ফলে দিবসটি পালন করতে হিমশিম খেতে হতো দায়িত্বরত কর্মকর্তাগনকে। এমনকি কত মাঠ দিবস কোন অনুষ্ঠানে কত বরাদ্দ তা কখনো জানানো হতো না উপ-সহকারী কৃষি অফিসার (বিএস) দেরকে। তারা জানান আমাদেরকে সামান্য কিছু খরচ দেয়া হয় কিন্তু বরাদ্দ কত বা কি তা কখনো আমাদের জানানো হয় না আমরা জানিও না। বিভিন্ন অনিয়ম ছাড়াও নামে মাত্র আলোক ফাঁদ দেখিয়ে বেশির ভাগ টাকা রেখে দিতেন নিজের পকেটে।
শুধু তাই নয় সরকারী ভাবে গুদাম থেকে ধান ক্রয় শুরু হলে তা লটারী হবে জেনেও অজ্ঞাত কারনে বেঁচে নেয় অনিয়মের রাস্তা তালিকায় করেন ব্যাপক অনিয়ম। সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উক্ত কর্মকর্তার সাথে হাত মিলিয়ে কতিপয় উপ-সহকারী কৃষি অফিসার (বিএস)গনও বিভিন্ন অনিয়মের খাতায় নিজেদের নাম লেখিয়ে তারাও কৌশলে চুক্তি করে বীজ ও সার বিতরনে বিভিন্ন কৃষকের নাম তালিকা ভুক্ত করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম করেন। শুধু তাই নয় উক্ত কৃষি কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে অনেকেই কাজে ফাঁকি দিয়েও চলছেন দীর্ঘদিন থেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্টাফ জানান, আমরা আর কি বলবো তিনি (স্যার) বলেন এক আর করেন আরএক তিনি সবার সামনে নিয়মের কথা বললেও অনিয়মকে কখনো ছারেন না। তবে নাম প্রকাশ না করা সর্তে একজন জানান, বিভিন্ন অনিয়মের সাথে সমপ্রতি কৃষক তালিকায় নিয়মের সাথে জরিত ও একটি তদন্তে অনিয়ম করায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে কৌশলে ছুটি নেন এবং অনত্য বদলী নিয়েছেন। তার ব্যবহারকৃত মুঠোফোনে একাধীকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিব করেনি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন বিষয়টি আমি ক্ষতিয়ে দেখবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here