হস্তান্তরের আগেই আশ্রয় কেন্দ্র হুমকির মুখে

0
40

সাওরাত হোসেন সোহেল, চিলমারী,
ব্রহ্মপুত্রের তান্ডব হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। বিলিন হচ্ছে বাড়িঘর। এবার ভাঙ্গনের শিকার আশ্রয়ণ কেন্দ্র। হুমকির মুখে রয়েছে ২শ বিঘা গ্রামের ২শত পরিবার।
জানা গেছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি উজানের ঢলে হঠাতেই বৃদ্ধি পেতে থাকে ব্রহ্মপুত্রের পানি সাথে সাথে নদ হয়ে উঠে ক্ষুধার্ত রাক্ষসী। আর রাক্ষসী থাবায় উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ খাউরিয়া আশ্রয় প্রকল্প-২। ইতি মধ্যে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গনে সদ্য নির্মিত আশ্রয়ণের ২টি ব্যাক নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। বাকি ব্যাক গুলো বিলিনের পথে। হস্তান্তরের আগেই নদী গর্ভে বিলিনের পথে এই আশ্রয় কেন্দ্র তৈরির সময় সরকারী নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা করা হয়নি বলে জানালেন এলাকাবাসী। আশ্রয় কেন্দ্র সংলগ্ন ২শ বিঘা গ্রামটির প্রায় ২শত পরিবারও রয়েছে এখন নদী ভাঙ্গনের মুখে।
এলাকার মিসির উদ্দিন, সাকেরা , লাইলিসহ অনেকে জানান, নদীর তীব্র স্রোত আর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে আর নিমিশেই গিলে খাচ্ছে বাড়িঘরসহ গ্রামের পর গ্রাম।এদিকে আশ্রয়হীন মানুষকে সরকারে দেয়া আশ্রয় কেন্দ্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুঝে দেয়ার আগেই তা নদী গর্ভে বিলিত হওয়ায় আশ্রয়হীন মানুষগন হতাশার সাগরে ভাসছে।
উপজেলা বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭/১৮ অর্থ বছরে উক্ত দক্ষিণ খাউরিয়া আশ্রয় প্রকল্প-২ এর মাটি ভরাটের জন্য ৫১৯ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। মাটির কাজ শেষ হলে সেখানে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫০ পরিবারের জন্য ৩০টা ব্যাক তৈরি করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পরে সেনাবাহিনীরর পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে স্থানীয় প্রশাসনকে তা হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা বাচাইকৃত আশ্রয়হীন সুবিধাভুগীর মাঝে হস্তান্তরের আগেই শুরু হয় নদী ভাঙ্গন। আর সেই সাথে ইতি মধ্যে ২ ব্যাক নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে বাকি গুলোও বিলিনের পথে।
ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফা ভাঙ্গনের কথা স্বীকার করে বলেন, আশ্রয় প্রকল্প ছাড়াও বেশ কয়েটি গ্রামও রয়েছে ভাঙ্গনের মুখে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন আমরা সরেজমিনে গিয়েছিলাম নদীর পানি হঠাতেই বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারন করেছে। আমরা আশ্রয় কেন্দ্র বিষয়টি উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here