এডিপি প্রকল্পে সুবিধা পাচ্ছে চিলমারীবাসী

0
31

সাওরাত হোসেন সোহেল, চিলমারী:
চিলমারী উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) প্রকল্পের ছোয়ার পাল্টে যাচ্ছে চিলমারী। শহর, গ্রামীণ সড়ক সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যাপক সফলতা অর্জনের সাথে সাথে চিলমারী উপজেলার গায়ে লেগেছে উন্নয়নের ছোয়া। এলাকার উন্নয়নের সাথে সকল স্থরের জনগণও সফলতা পাচ্ছে বলে মনে করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের অধীনে চিলমারীর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এডিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আজিজার রহমান জানান, রানীগঞ্জ, নয়ারহাট, থানাহাট, রমনা, চিলমারী ও অষ্টমীরচর এ ৬টি ইউনিয়নে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল এবং তা সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় শহর এলাকার পাশাপাশি গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারসহ ব্যাপক সফলতা পেয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস জানায়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে কয়েকটি প্রকল্পের অনুকূলে প্রায় ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। দরপত্রের মাধ্যমে ১২টি প্রকল্পের অনুকূলে প্রায় ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। দরপত্র ও প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে হতদরিদ্রদের মাঝে গোড়া পাকাসহ নলকূপ স্থাপন, সেলাই মেশিন ও ল্যাট্রিনের রিং ও স্লাব বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কার, ওয়াস ব্লক নির্মান, সিসি রাস্তা উন্নয়ন করন, এসবিবি রাস্তা, হাটসেট নির্মান, স্কুলের গেট নির্মাণ করাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন করা হচ্ছে। সামছপাড়ার ভুট্টু, বাচ্চুসহ অনেকে জানান ইতি পূর্বে তাদের গ্রামের যাওয়ার রাস্তাটির করুন অবস্থা ছিল এডিপির বরাদ্দে সিসি করন করায় তাদের দুঃখ কষ্ট দুর হয়েছে। একই কথা জানালেন বড়কুষ্টারী, মন্ডলপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ।
চিলমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জানান, স্কুল যাওয়ার একটি পথ সে পথটিও ছিল চলার অযোগ্য এডিপি’র বরাদ্দের মাধ্যমে রাস্তাটি এসবিবি করার তাদেরও কষ্ট লাঘব হয়েছে একই কথা জানান থানাহাট এইউ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার সড়কটিও সিসি করন করা হয়েছে।
ব্যাপারী বাজার ও অষ্টমীরচর এলাকার মানুষজন জানান, উক্ত প্রকল্পের অধিনে বাজার এলাকায় হাটসেট করায় তাদেরও দুঃখ দুর হয়েছে। এছাড়াও বেশকিছু সুবিধাভুগির সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা নলকূপ আর ল্যাট্রিন পেয়ে তাদের সুখ হয়েছে।
অষ্টমীরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তালেব বলেন, অতিদরিদ্র পরিবার গুলো নলকূপ, ল্যাট্রিন পাওয়ার পাশাপাশি সেলাই মেশিন সরবরাহ করার মহিলা ঘরের কাজের পাশাপাশি আয় করতেও সক্ষম হচ্ছে এই প্রকল্প একটি যুগান্তকারী কর্মসূচি। এ কর্মসূচি চালু হওয়ায় এলাকার শত শত পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here