ফুলবাড়ীতে ইসমাইলের সুখের স্বপ্নের ঠিকানা

0
48

রবিউল ইসলাম বেলাল, ফুলবাড়ী:
আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার। বাপের ভিটার ৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেও ব্যবসায় লাভ করতে পারেনি ইসমাইল হোসেন। ব্যবসার লোকশানে খুয়ে গেছে তার সব টাকা। কান্নাজড়িত কন্টে বলেন মোক একটা থাকার ঘর দেও বাহে। বাবা, মা, বউ বাচ্চা নিয়ে যেনো ঘরোত থাকপ্যার পাই। কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের পক্ষ থেকে চলতি অর্থ বছরে ৬টি ইউনিয়নের ৫৫টি পরিবাকে ১কোটি ৪২ লক্ষ টাকার বরাদ্দ দিয়েছেন। বর্তমান শেখ হাসিনা সরকারের দেয়া গরিব মানুষ খুঁজে পেয়েছেন তাদের মাথা গোঁজার ঠাই ও স্বপ্নের ঠিকানা। ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কবিরমামুদ গ্রামের জোবেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেনের ইচ্ছা ছিলো একটি ঘর বানাবে, কিন্তু তার অভাবের সংসার বাবা দিনমজুর। খেয়ে না খেয়ে দিনদিপাত করেন তার পরিবার। মা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করেন, তারপরেও ভালো থাকতে সবাই চায়। রোদ বৃষ্টিতে কষ্টে দিন পার করতো। কাল বৈশাখী ঝড়ে তার খড়ের ঘরের চালা উড়ে নিয়ে যায়। সেই থেকে ইসমাইল বাবা, মা, বউ বাচ্চা নিয়ে ঝুপড়ির মধ্যে বসবাস করতেন। প্লাষ্টিকের কাগজের ছাউনি দিয়ে থাকতে তারা। ইসমাইলের ঘরের বিষয়টি প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক আবুবক্কর সিদ্দিক মিলন ইউএনও সাহেবকে জানালে বিষয়টি আমলে নেন কর্মকর্তারা। তার থাকার জন্য ২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকার একটি ঘর তার নামে বরাদ্দ দেয়া হয়। আশ্রয়হীন ইসমাইলকে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. মাছুমা আরেফিন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত তাকে একটি ঘর করে দিয়েছেন। তার নিজের ৩ শতাংশ জমির উপর ২-টি বেডরুম, কিচেন- ১টি, টয়লেট-১টি, করিডোর-১টি। ইসমাইলের পরিবার খুব খুশি হামার গরিব মানুষের জন্য শেখ হাসিনা আপা হামাক একটা ঘর দেইল।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত জানান, উপজেলায় এ বারে ৫৫টি পরিবারকে বিনামূলে ঘর দেয়া হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে আরো বরাদ্দ আসলে আরো গরিব দুখি মানুষ খুজে বের করে তাদেরকে ঘর দেয়া হবে।
আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, সরকারী ভাবে বরাদ্দ পেলে আরো অনেক নামের তালিকা জমা আছে তাদেরকে দেয়া হবে। শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নের গৃহহীন কোনো মানুষ থাকবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here