কুড়িগ্রামে অবৈধ ইটভাটায় পরিবেশ বিপর্যয়

0
58

স্টাফ রিপোর্টার:
নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কুড়িগ্রামে অবাধে গড়ে উঠছে ইটভাটা। এসব অনুমোদনহীন ইটভাটার কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে একরের পর একর কৃষি জমি। অনুমোদন দিতে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিরুদ্ধে। এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। যেন দেখার কেউ নেই।
জানা যায়, কুড়িগ্রামের ৯টি উপজেলায় ১২০টির মতো ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে ৪১টি ইটভাটার লাইসেন্স রয়েছে। ১৭টির মতো ভাটা হাইকোর্ট থেকে অনুমোদন নিয়ে চালু করেছে। বাকিগুলো নামকাওয়াস্তা আবেদন করেই অবৈধভাবে করছে ইটের ব্যবসা। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন। ফসলী জমি ও ঘন জনবসতি এলাকায় গড়ে তুলেছে ইটভাটাগুলো। ফলে একরের পর একর ফসলি জমির ক্ষতির পাশপাশি মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটেছে। জনবসতি এলাকায় গড়া তোলা ইটভাটার ধোঁয়ায় দেখা দিয়েছে শ^াস কষ্ট, ফুঁসফুঁস, চর্ম, হাঁপানি, যক্ষ্মাসহ নানান রোগীর আধিক্য। স্থানীয়দের অভিযোগ ইটভাটার কারণে উৎপাদন হারিয়েছে আবাদিজমিসহ ফলফলাদির গাছ। তবে বৈধ কোন কাগজপত্র ছাড়াই জেলায় বহু ইটভাটার তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। জনবসতিতে গড়ে তোলা অবৈধ ইটভাটাগুলোর অপসারণের দাবি স্থানীয়দের।
সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রয়েছে মাত্র দেড় হতে দু কি.মিটারের মধ্যে ৮টি ইটভাটা। এদের অনেকের বৈধ কাগজপত্র নেই। কথা হয় এমএআর ব্রিকস’র মালিক আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন,২০১১সালে স্থাপিত হয়ে বৈধভাবেই তার ভাটা চলছে। চলতি মৌসুমে তিনি হাইকোর্টে রিট করে ভাটার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তার কাগজপত্রে দেখ াযায়, ইট পোড়ানোর লাইসেন্স দেয়া হয় ২০১৫ সালের ১জানুয়রি পর্যন্ত। এরপর সে আর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নিয়মনীতি না মেনেই চালিয়ে যাচ্ছেন ইট পোড়ানোর কাজ। গত বছর হাইকোর্টে রিট করে ডিসেম্বর হতে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইট পোড়ানোর অনুমোদন নেয়।
এএসবি ইটভাটা ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আবারো নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভাটায় ছোট চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কিভাবে পেলো এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,এটা অফিসেই ভালো বলতে পারবে।
সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রয়েছে মাত্র দেড় হতে দু কি.মিটারের মধ্যে ৮টি ইটভাটা। এদের অনেকের বৈধ কাগজপত্র নেই। কথা হয় এমএআর ব্রিকস’র মালিক আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন,২০১১সালে স্থাপিত হয়ে বৈধভাবেই তার ভাটা চলছে। চলতি মৌসুমে তিনি হাইকোর্টে রিট করে ভাটার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তার কাগজপত্রে দেখা যায়, ইট পোড়ানোর লাইসেন্স দেয়া হয় ২০১৫ সালের ১জানুয়রি পর্যন্ত। এরপর সে আর কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নিয়মনীতি না মেনেই চালিয়ে যাচ্ছেন ইট পোড়ানোর কাজ। গত বছর হাইকোর্টে রিট করে ডিসেম্বর হতে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ইট পোড়ানোর অনুমোদন নেয়।
এএসবি ইটভাটা ম্যানেজার মিজানুর রহমান জানান, কাগজপত্রের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আবারো নবায়নের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ভাটায় ছোট চিমনি ব্যবহার করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র কিভাবে পেলো এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,এটা অফিসেই ভালো বলতে পারবে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভাটার মালিক ও ম্যানেজার বলেন, জেলায় প্রায় ১৩৮টি ইটভাটা রয়েছে। যাদের একভাগেরও লাইসেন্স নেই। শুধু আবেদন করেই ভাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় আর প্রশাসনের লোকদের উৎকোচ দিয়ে ভাটা চালাতে হচ্ছে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভাটার মালিক ও ম্যানেজার বলেন, জেলায় প্রায় ১৩৮টি ইটভাটা রয়েছে। যাদের একভাগেরও লাইসেন্স নেই। শুধু আবেদন করেই ভাটা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় আর প্রশাসনের লোকদের উৎকোচ দিয়ে ভাটা চালাতে হচ্ছে।
ভাটার পাশ^বর্তি এলাকার স্থানীয় মজিবর,হাকিম,মুকুল মিয়া,রহিমা বেগম,বুলবুলি আকতারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ইটভাটার কারণে এলকায় বৃদ্ধ,শিশুরা বেশি করে শ^াস কষ্টে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়াও ফুঁসফুঁস, চর্ম, হাঁপানি, চোখের রোগ বাড়ছে। তারা আরো বলেন,ইটভাটার কারণে বাড়িগুলোতে কমে গেছে ফলফলাদির গাছ এবং আবাদী জমি কমে যাবার পাশাপাশি কমছে ফসলের পরিমানও। ইটভাটার ধুলাবালু, কালো ধোয়ায় বাড়িঘর নষ্ট হয়ে যায়।
জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ানুল হক দুলাল অভিযোগ করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের হয়রানির জন্যই ইটভাটার মালিকরা লাইসেন্স করতে বিলম্ব হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন স্বীকার করেন, নিয়মনীতি না মেনেই অনেক ইটভাটা রয়েছে। হাইকোর্টের মাধ্যমে অনুমোদন নিলেও মালিক পক্ষরা সেই শর্ত মানছেন না। এই বিষয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযানের মাধ্যমে জরিমানা হচ্ছে অবৈধ ইটভাটাগুলোতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here